মূল অংশে যান
English

স্কুল ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যারের ফিচার — BDEducationManager-এ কী কী আছে — পুরো তালিকা

ফি, হাজিরা, রেজাল্ট, শিক্ষক মনিটরিং, স্যালারি, এসএমএস — একটি প্রতিষ্ঠান চালাতে যা লাগে, সবই আছে। নিচে আগে মডিউল ধরে এক নজরে, তারপর ৬০টি ফিচারের প্রতিটি কী করে। সবই আজ সফটওয়্যারে আছে, আর কোনোটির জন্য আলাদা টাকা লাগে না।

BDEducationManager — বাংলাদেশের স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কোচিং সেন্টারের ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার — ভর্তি, রেজাল্ট, বেতন, হাজিরা আর এসএমএস এক জায়গায়। সব ফিচার এক দামে। পুরো সফটওয়্যার দেখুন

এক নজরে — কোন কোন মডিউল আছে

মডিউল আছে? কী কী হয়
শিক্ষার্থী ভর্তি ও তথ্য আছে ভর্তি, আইডি ও রোল, পুরো প্রোফাইল, বছর শেষে প্রমোশন
ফি ম্যানেজমেন্ট — সব ধরনের ফি আছে ভর্তি ফি, মাসিক বেতন, পরীক্ষার ফি, নিজের নামে যেকোনো ফি; রসিদ, বকেয়া, ছাড়, লেট ফি
হাজিরা — ডিজিটাল ও অটোমেটেড আছে মোবাইল বা কম্পিউটারে এক ক্লিকে; RFID কার্ডের মেশিন থেকে নিজে থেকেই (নতুন চালু)
পরীক্ষা ও রেজাল্ট আছে নম্বর দিলেই জিপিএ, পাস-ফেল আর মেধাস্থান — বোর্ডের নিয়মে
মার্কশিট ও ট্রান্সক্রিপ্ট আছে পুরো শাখার মার্কশিট একসাথে; সব পরীক্ষার ফল এক পেজে
শিক্ষক মনিটরিং আছে কে কোন ক্লাস নিলেন, কী পড়ালেন; রোজকার ও মাসের রিপোর্ট, প্রধানের মন্তব্য
ক্লাস রুটিন আছে পিরিয়ড সাজানো, এক দিনের ক্লাস বদল, তিনভাবে প্রিন্ট
শিক্ষক-কর্মচারী ও স্যালারি আছে তথ্য, ছুটি, মাসের স্যালারি, স্যালারি স্লিপ
হিসাব — আয় ও ব্যয় আছে খরচের ভাউচার; দিন, মাস, বছরের আয়-ব্যয় চার্টে
এসএমএস আছে সবাইকে বা বেছে; রেজাল্ট, বকেয়ার অটো রিমাইন্ডার, অনুপস্থিতের এসএমএস
আইডি কার্ড, এডমিট কার্ড, সার্টিফিকেট আছে ১০টি ডিজাইনের আইডি কার্ড, ফিতার ডিজাইন; টিসি, প্রত্যয়নপত্র, প্রশংসাপত্র
নোটিশ বোর্ড আছে নোটিশ প্যাডে প্রিন্ট, এক ক্লিকে এসএমএস
রিপোর্ট ও ড্যাশবোর্ড আছে ৩১ ধরনের রিপোর্ট ও প্রিন্ট; আদায়, বকেয়া আর রেজাল্ট চার্টে
রোল, পারমিশন ও অ্যাক্টিভিটি লগ আছে কে কী করতে পারবেন, আপনি ঠিক করেন; কে কী বদলালেন, সব লেখা থাকে
একাধিক ক্যাম্পাস আছে সব ক্যাম্পাস এক অ্যাকাউন্টে
Excel থেকে আনা ও ডাউনলোড আছে পুরনো তালিকা একবারে আনা; তালিকা, রসিদ, রিপোর্ট ডাউনলোড
বাংলা ও ইংরেজি, মোবাইলেও আছে পুরোটা ব্রাউজারে — কিছু ইনস্টল করতে হয় না
ব্যাকআপ ও নিরাপত্তা আছে প্রতি রাতে ব্যাকআপ; প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের তথ্য আলাদা

৩১ ধরনের রিপোর্ট ও প্রিন্ট

প্রতিটির নাম নিচে আছে — গুনে মিলিয়ে নিতে পারেন। কয়েকটির নমুনা হোম পেজে।

  • প্রিন্ট বা PDF হয় — ১৪ ধরনের কাগজ

    মার্কশিট (একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট), সব পরীক্ষার ফল এক পেজে, এক বিষয়ের নম্বরের তালিকা, এডমিট কার্ড, শিক্ষার্থীর আইডি কার্ড, প্রত্যয়নপত্র, ছাড়পত্র (টিসি), প্রশংসাপত্র, মেধা সনদ, মানি রসিদ, স্যালারি স্লিপ, খরচের ভাউচার, নোটিশ, ক্লাস রুটিন।

  • রিপোর্ট ও তালিকা — ১৭ ধরনের

    রোজকার ক্লাস রিপোর্ট, শিক্ষকের মাসিক রিপোর্ট, কোন বিষয়ের নম্বর দেওয়া বাকি, রেজাল্ট আর মেধাস্থান, বকেয়ার তালিকা, রসিদের তালিকা, আয়-ব্যয়ের রিপোর্ট, মাসের স্যালারির হিসাব, শিক্ষার্থীর তালিকা, শিক্ষার্থীর প্রোফাইল, দিনের হাজিরা, শিক্ষার্থীর হাজিরার হিস্ট্রি, শিক্ষক-কর্মচারীর ছুটির হিসাব, এসএমএসের হিসাব, সার্টিফিকেটের রেজিস্টার, অ্যাক্টিভিটি লগ, ড্যাশবোর্ড।

শিক্ষক ও ক্লাস মনিটরিং (Teacher Monitoring)

১১টি ফিচার, ৪৮টি সাব-ফিচার।

  • শিক্ষক-কর্মচারীর তথ্য, প্রত্যেকের আলাদা লগইন — Staff Records

    নাম, রোল, পদবি, মোবাইল, যোগদানের তারিখ আর মাসিক স্যালারি। জন্মতারিখ, NID, ঠিকানা আর যোগ্যতাও রাখা যায়। নতুন অ্যাকাউন্টে টেম্পোরারি পাসওয়ার্ড; প্রথম লগইনে নিজের পাসওয়ার্ড। পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে এক ক্লিকে রিসেট। চাকরি ছাড়লে “সাবেক” — লগইন বন্ধ, রেকর্ড থেকে যায়; আবার ফেরানো যায়। কে শেষ কবে লগইন করেছেন।

  • শিক্ষক অ্যাসাইন — কে কোন ক্লাসে কোন বিষয় পড়ান — Teacher Assign

    শাখা ধরে: প্রতিটি বিষয়ের পাশে শিক্ষক সিলেক্ট করলেই সেভ। শিক্ষক ধরে: একজনের সব ক্লাস একসাথে দেখা ও বদলানো। শিক্ষক নম্বর দেন আর ক্লাস আপডেট লেখেন শুধু নিজের অ্যাসাইন করা বিষয়ে। রুটিনে বিষয় বসালে অ্যাসাইন করা শিক্ষক নিজেই বসে যান। নতুন শিক্ষাবর্ষে আগের বছরের অ্যাসাইন কপি করা যায়।

  • ক্লাস রুটিন — কার কখন ক্লাস — Class Routine

    পিরিয়ড সাজানো: কখন শুরু, ক্লাস কত মিনিটের, কয়টি ক্লাস, টিফিন কখন। সপ্তাহের কোন কোন দিন ক্লাস হয়। ঘরে ক্লিক করে বিষয়; টেনে জায়গা বদল; কপি করে অনেক ঘরে। একই পিরিয়ডে এক শিক্ষক দুই শাখায় পড়লে সফটওয়্যার আটকায়। এক দিনের রুটিন বানিয়ে বাকি দিনগুলোতেও বসানো। শিক্ষক লগইন করে নিজের সপ্তাহের রুটিন দেখেন।

  • আজ কী পড়ালেন, কী বাড়ির কাজ — ফোন থেকেই — Class Update

    প্রতিটি ক্লাসে “কী পড়ানো হলো” আর “বাড়ির কাজ”। শিক্ষক পান শুধু নিজের অ্যাসাইন করা ক্লাস। শিক্ষক না পারলে অফিস তাঁর হয়ে লিখে দেয় — কে লিখলেন, তা-ও থাকে। যে ক্লাস হয়নি, সেটা খালি থাকে।

  • রোজ কে কোন ক্লাস নিলেন — সাথে প্রধানের মন্তব্য — Daily Report

    যেকোনো তারিখে প্রত্যেক শিক্ষক: রুটিনে কয়টি ক্লাস, কয়টির আপডেট লেখা। প্রতিটি ক্লাসে কী পড়ানো হলো, কী বাড়ির কাজ। প্রধান প্রত্যেক শিক্ষকের দিনের ওপর মন্তব্য লেখেন। শিক্ষক শুধু নিজের দিনটাই দেখেন।

  • মাস শেষে প্রত্যেক শিক্ষকের রিপোর্ট — Monthly Report

    মাস, শিক্ষক, শাখা আর বিষয় ধরে ফিল্টার। সারাংশ: কে কোন শাখায় কোন বিষয়ে কয়টি ক্লাস নিলেন, শেষ কবে। প্রতিদিনের পুরো বিবরণ। Excel-এ ডাউনলোড।

  • শিক্ষক না এলে এক দিনের জন্য ক্লাস বদল — Class Swap

    এক তারিখের এক পিরিয়ড অন্য শিক্ষককে, বা অন্য বিষয়ে। ক্লাস না হলে সেই পিরিয়ড ফাঁকা দেখানো। যে শিক্ষক তখন অন্য ক্লাসে, তাঁকে দেওয়া যায় না। সপ্তাহের রুটিন যেমন ছিল থাকে — বদল শুধু সেই দিনের। শাখা আর শিক্ষকের রুটিনে সামনের সপ্তাহের বদলগুলো দেখায়।

  • পুরো রুটিন এক পেজে প্রিন্ট — দিন, শাখা বা শিক্ষক ধরে — Routine Print

    দিন ধরে: সব শাখার রুটিন এক পেজে। শাখা ধরে: পুরো সপ্তাহ। শিক্ষক ধরে: পুরো সপ্তাহ।

  • কোন বিষয়ের নম্বর দেওয়া এখনও বাকি — Mark Entry Status

    শাখা আর বিষয় ধরে: কতজনের নম্বর দেওয়া হয়েছে। কোন শাখার কোন বিষয় এখনো সাবমিট হয়নি। ভুল থাকলে প্রধান সাবমিট করা নম্বর আবার খুলে দেন।

  • কার কত ছুটি পাওনা, কত নিলেন — Leave Record

    বছরে কত দিন ছুটি পাওনা — প্রত্যেকের আলাদা। ছুটি লেখা: কবে থেকে কবে, কত দিন (আধা দিনও), কারণ। পাওনা, নেওয়া আর বাকি — এক নজরে।

  • শ্রেণি, শাখা আর বিষয় — রেডি তালিকা, নিজের নামেও — Class & Subject

    প্রচলিত শ্রেণি আর বিষয় এক ক্লিকে — প্লে থেকে দ্বাদশ, মাদ্রাসার বিষয়সহ। নিজের নামে শ্রেণি আর শাখা (B, C বা “বিজ্ঞান”)। প্রতিটি শাখার শ্রেণি শিক্ষক আর সিট সংখ্যা। বিষয়ের বাংলা ও ইংরেজি নাম; আবশ্যিক, ঐচ্ছিক বা ৪র্থ বিষয়। এক শ্রেণির বিষয়ের তালিকা অন্য শ্রেণিতে কপি।

পরীক্ষা ও রেজাল্ট (Exam & Result)

১০টি ফিচার, ৪৮টি সাব-ফিচার।

  • পরীক্ষার তালিকা — সাপ্তাহিক থেকে বার্ষিক, নিজের নামেও — Exam Setup

    সাপ্তাহিক, মাসিক, ক্লাস টেস্ট, সাময়িক, অর্ধবার্ষিক, বার্ষিক, নির্বাচনী, মডেল টেস্ট। তালিকায় না থাকলে নিজের নামে — বাংলা ও ইংরেজিতে। তালিকা একবার বানালে প্রতি বছর চলে। প্রতিটি পরীক্ষার আলাদা রেজাল্ট, মেধাস্থান আর মার্কশিট।

  • সৃজনশীল, বহুনির্বাচনী, ব্যবহারিক — আলাদা নম্বরে — Mark Distribution

    লিখিত ১০০, বা সৃজনশীল ৭০ + বহুনির্বাচনী ৩০, বা ব্যবহারিকসহ। নিজের নামে অংশ — মৌখিক, হাতের লেখা বা যা দরকার। প্রতিটি অংশের পাস নম্বর আর মোট পাস নম্বর। পূর্ণমান নিজের মতো — ১০০, ৫০ বা অন্য কিছু। নিয়ম পরে বদলালেও আগের পরীক্ষার নম্বর বদলায় না।

  • শিক্ষক ফোনেই নম্বর দেন, গ্রেড আসে সাথে সাথে — Mark Entry

    শিক্ষক দেখেন শুধু নিজের অ্যাসাইন করা শাখা আর বিষয়। প্রতিটি অংশের নম্বর দিলেই মোট আর গ্রেড। পূর্ণমানের বেশি দিলে সফটওয়্যার আটকায়। নম্বর না দিলে অনুপস্থিত — শূন্য আর অনুপস্থিত আলাদা। এক শাখার এক বিষয়ের নম্বর A4-এ প্রিন্ট।

  • নম্বর সাবমিট করলেই লক — খুলতে পারেন শুধু প্রধান — Mark Submit

    সাবমিট করলে সেই বিষয়ের নম্বর আর বদলানো যায় না। দরকার হলে শুধু প্রধান আবার খুলে দেন। রেজাল্ট প্রকাশের পর সেই শ্রেণির নম্বর লক। প্রতিটি বদল অ্যাক্টিভিটি লগে — কে, কখন, আগে কত ছিল।

  • জিপিএ, পাস-ফেল, মেধাস্থান — নিজে থেকেই — Auto Result

    এক ক্লিকে পুরো শ্রেণির জিপিএ, পাস-ফেল আর মেধাস্থান। আগে ড্রাফট — দেখে নিয়ে তারপর প্রকাশ। মেধাস্থান শাখায়, না পুরো শ্রেণিতে — আপনি ঠিক করেন। আগে পাস করা শিক্ষার্থীরা, তারপর মোট নম্বরে; সমান নম্বরে একই স্থান। ভুল ধরা পড়লে প্রকাশ তুলে নিয়ে, ঠিক করে আবার প্রকাশ।

  • ১ম-২য় পত্র মিলিয়ে গ্রেড, ৪র্থ বিষয়ও বোর্ডের নিয়মে — GPA-5

    ১ম ও ২য় পত্রের নম্বর যোগ করে এক গ্রেড। ৪র্থ বিষয়: ২-এর ওপরের পয়েন্ট যোগ হয়; জিপিএ ৫-এর বেশি হয় না। সৃজনশীল, বহুনির্বাচনী আর ব্যবহারিকে আলাদা পাস। আবশ্যিক এক বিষয়ে F হলে জিপিএ ০.০০। নিজের গ্রেড: কত নম্বরে কোন গ্রেড, কত পয়েন্ট।

  • মার্কশিট, আর সব পরীক্ষার ফল এক পেজে — Marksheet

    পুরো শাখার মার্কশিট একসাথে — প্রিন্ট বা PDF। প্রতিটি বিষয়ের নম্বর, গ্রেড, পয়েন্ট; মোট, জিপিএ আর মেধাস্থান। প্রতিষ্ঠানের নাম, ঠিকানা, EIIN, লোগো আর প্রধানের স্বাক্ষর। সব বছরের সব পরীক্ষার ফল এক পেজে — রেজাল্ট হিস্ট্রি। প্রকাশের আগে প্রিন্ট করলে ‘DRAFT’ ওয়াটারমার্ক। রঙিন বা সাদাকালো প্রিন্ট।

  • রেজাল্ট সরাসরি অভিভাবকের ফোনে — Result SMS

    প্রত্যেকের জিপিএ, গ্রেড, মোট নম্বর আর মেধাস্থান। সবাইকে, শুধু পাস করাদের, বা শুধু ফেল করাদের। অভিভাবকের নম্বরে, বা শিক্ষার্থীর নিজের। শুধু প্রকাশিত রেজাল্টই যায়।

  • এডমিট কার্ড — বকেয়া বেশি থাকলে পাবে না; হারালে ফি নিয়ে আবার — Admit Card

    পুরো শাখার এডমিট কার্ড একসাথে — A4-এ দুটি করে। প্রতিটি কার্ডে শ্রেণির সব বিষয় — কোড থাকলে কোডসহ। বাংলা বা ইংরেজিতে। বকেয়ার সীমা আপনি ঠিক করেন; বেশি হলে প্রিন্টে বাদ পড়ে। একজনের কার্ড আলাদা প্রিন্ট — ফি থাকলে রসিদসহ। হারালে আবার প্রিন্ট — আলাদা ফি রাখা যায়। কে কার্ড পেয়েছে, তালিকায় দেখায়।

  • মেধা সনদ — রেজাল্ট থেকে এক ক্লিকে — Merit Certificate

    প্রকাশিত রেজাল্ট থেকে — ওপরের কয়জন পাবে, আপনি ঠিক করেন। নকশা করা ফ্রেম, ওয়াটারমার্ক, সিল আর স্বাক্ষরের জায়গা। প্রতিষ্ঠানের লোগোসহ, সবসময় রঙিন।

ফি ও হিসাব (Fees & Accounts)

৭টি ফিচার, ৩৩টি সাব-ফিচার।

  • প্রতি মাসের বেতনের বিল নিজেই তৈরি হয় — Auto Billing

    প্রতিটি শ্রেণির ভর্তি ফি, ফর্ম ফি আর মাসিক বেতন একবার ঠিক করুন। বিল মাসের শুরুতে, না মাস শেষে — আপনার নিয়ম। কোন মাস থেকে বিল শুরু, তা-ও আপনি ঠিক করেন। অন্য ফি নিজের নামে — সেশন চার্জ, পরীক্ষার ফি, কম্পিউটার ফি। এক শ্রেণির জন্য বা সবার; একবার বা প্রতি মাসে।

  • কার কোন মাসের কত বকেয়া — Due List

    শিক্ষার্থী ধরে, মাস ধরে বকেয়া। মাস সিলেক্ট করে পেইড, আংশিক বা আনপেইড ফিল্টার। এক শ্রেণি বা শাখার পুরো তালিকা — Excel-এও। ড্যাশবোর্ডে মোট বকেয়া, কতজনের, আর শ্রেণি ধরে।

  • আংশিক বা অগ্রিম জমা, সাথে সাথে রসিদ — Collection

    যা দিল তা-ই নিন — বাকিটা বকেয়া থাকে। বেশি দিলে সামনের মাসগুলো অগ্রিম শোধ। পুরনো মাসের বকেয়া আগে শোধ হয়। ক্যাশ, বিকাশ, নগদ, রকেট বা ব্যাংক — কোনটায় নিলেন, লেখা থাকে। নেট ধীর হলেও একই জমা দুবার হয় না।

  • রসিদ — প্রিন্টার থাকুক বা না থাকুক — Money Receipt

    প্রতিটি জমার নিজের নম্বরসহ রসিদ। অফিস কপি আর শিক্ষার্থী কপি এক পেজে — প্রিন্ট বা PDF। প্রিন্টার না থাকলে ক্যাশ মেমোর নম্বর লিখে রাখুন। রসিদ খুঁজুন নম্বর, নাম বা আইডি দিয়ে। তারিখ ধরে রসিদের তালিকা Excel-এ।

  • ছাড়, মওকুফ আর লেট ফি — Discount & Late Fee

    বেতনে ছাড় — শতাংশে বা টাকায়। পুরো মওকুফ — ভাইবোন, এতিম বা শিক্ষকের সন্তানের জন্য। শেষ তারিখ পার হলে লেট ফি নিজেই যোগ হয়, একবারই। ভুল বিল বাতিল হয়, ডিলিট নয় — দরকারে আবার ফেরানো যায়। মওকুফ কে করতে পারবেন, তার আলাদা পারমিশন।

  • শিক্ষক-কর্মচারীর স্যালারি, খরচের ভাউচার — Salary & Expense

    মাস ধরে সবার স্যালারি — কার দেওয়া, কার বাকি। বোনাস আর কর্তন লেখা যায়। স্যালারি স্লিপ — অফিস কপি আর কর্মচারী কপি। খরচ খাত ধরে: বিদ্যুৎ বিল, ভাড়া, ইন্টারনেট, মেরামত — বা নিজের নামে। প্রতিটি খরচের নম্বরসহ ভাউচার — প্রিন্ট বা PDF।

  • দিন, মাস, বছরের আয়-ব্যয় — চার্টে — Income & Expense

    সময় সিলেক্ট: এ মাস, গত মাস, ৬ মাস, ১/২/৫ বছর বা নিজের তারিখ। ফি থেকে আয়, স্যালারি আর অন্য খরচ, শেষে নিট। আয় ফির ধরন ধরে, খরচ খাত ধরে। সবই চার্টে।

ভর্তি ও অফিস (Admission & Office)

৯টি ফিচার, ৪০টি সাব-ফিচার।

  • ভর্তির সাথেই আইডি, রোল আর রসিদ — Admission

    শ্রেণি-শাখা সিলেক্ট করলে পরের খালি রোল নিজেই আসে। আইডি নিজে তৈরি হয়, যেমন S00650। ভর্তি ফি, ফর্ম ফি আর প্রথম মাসের বেতন শ্রেণির ফি থেকে বসে যায়। যা জমা দিল লিখুন; কম হলে বাকিটা বকেয়া। পুনঃভর্তি — আগের আইডিতেই।

  • শিক্ষার্থীর তালিকা — খুঁজুন নাম, রোল বা মোবাইল দিয়ে — Student List

    খোঁজা: নাম, ডাকনাম, পিতার নাম, রোল, আইডি বা মোবাইল। শ্রেণি আর শাখা ধরে ফিল্টার। চলে গেলে ইনঅ্যাক্টিভ — রেকর্ড থেকে যায়। তালিকা থেকেই ফি আদায় আর তথ্য এডিট। রক্তের গ্রুপ, জন্মতারিখ, পিতা-মাতার নাম, অভিভাবকের মোবাইল, ঠিকানা।

  • পুরনো শিক্ষার্থী তালিকা Excel থেকে একবারে — Excel Import

    রেডি টেমপ্লেট — নিয়ম, আপনার শ্রেণি-শাখার নাম আর উদাহরণসহ। আগে চেক: কী আসবে, কোথায় ভুল — তখনো কিছু সেভ হয় না। একবারে ২,০০০ জন পর্যন্ত। পুরনো সফটওয়্যারের ফাইলও চলে, কলামের নাম মিললে।

  • তালিকা, রসিদ আর রিপোর্ট Excel-এ ডাউনলোড করুন — Excel Export

    শিক্ষার্থীর তালিকা — যা দেখছেন তা-ই, বকেয়াসহ। রসিদের তালিকা — তারিখ ধরে। শিক্ষকদের ক্লাস আপডেটের মাসিক রিপোর্ট।

  • বছর শেষে প্রমোশন — রোল মেধায় বা আগের সিরিয়ালে — Promotion

    কোন পরীক্ষার রেজাল্ট দেখে তুলবেন — পাস-ফেল পাশেই দেখায়। যাদের তুলবেন টিক দিন; ফেল করাদের বাদ দেওয়া যায়। রোল: আগের সিরিয়ালে, বা মেধা অনুযায়ী। আইডি একই থাকে; আগের বছরের নম্বর, রেজাল্ট আর মার্কশিট থেকে যায়। নতুন শিক্ষাবর্ষে বিষয়, শিক্ষক অ্যাসাইন আর ফি কপি করা যায়।

  • একজনের সব বছরের ক্লাস, রেজাল্ট আর পেমেন্ট — এক পেজে — Student Profile

    প্রতি বছরের শ্রেণি, শাখা আর রোল। প্রতিটি পরীক্ষার রেজাল্ট আর মার্কশিট। প্রতিটি বিল আর রসিদ। প্রোফাইল থেকেই টাকা জমা আর তথ্য এডিট।

  • প্রতিষ্ঠানের প্যাডে নোটিশ প্রিন্ট — Notice Board

    শিরোনাম, লেখা, কবে থেকে আর শেষ দিন। জরুরি নোটিশ ওপরে পিন করা। লগইন করলেই সবাই দেখেন; নতুন তিনটি ড্যাশবোর্ডেও। প্রতিষ্ঠানের প্যাডে A4-এ প্রিন্ট।

  • শিক্ষার্থীর আইডি কার্ড — ১০টি ডিজাইন, পেছনে বারকোড; A4 বা PVC — ID Card

    ১০টি ডিজাইন — ৫টি আড়াআড়ি, ৫টি খাড়া; ৭টি রঙ। সামনে: ছবি, নাম, পিতার নাম, শ্রেণি-শাখা, রোল, আইডি, রক্তের গ্রুপ, মোবাইল, ঠিকানা। পেছনে: প্রতিষ্ঠানের নাম-ঠিকানা বাংলা ও ইংরেজিতে, আইডির বারকোড, প্রধানের স্বাক্ষর। পুরো শাখার কার্ড একসাথে — A4-এ ১০টি, বা PVC প্রিন্টারে একটি করে। ছবি নিজের কম্পিউটারের ফোল্ডার থেকে বসে — সার্ভারে যায় না। কার্ডের ফিতার ৮টি ডিজাইন — প্রতিষ্ঠানের নাম আর লোগো দিয়ে, কার্ডের সাথে মিলিয়ে দেখা।

  • প্রত্যয়নপত্র, টিসি, প্রশংসাপত্র — নম্বর আর রেজিস্টারসহ — Certificate

    প্রত্যয়নপত্র, টিসি আর প্রশংসাপত্র — তথ্য আগেই বসানো। প্রতিটির নিজের নম্বর, যেমন TC-2026-0001। কোনটার ফি কত, আপনি ঠিক করেন; ফি নিলে রসিদ। কে কোন সার্টিফিকেট কবে পেল, রেজিস্টারে থাকে।

হাজিরা (Attendance)

৬টি ফিচার, ৩২টি সাব-ফিচার।

  • রোজকার হাজিরা — কে এল, কে লেট, কে আগে গেল — Daily Attendance

    আজ আর গতকালের তালিকা — সব শিক্ষার্থী এক জায়গায়। মোট উপস্থিত, লেট, অনুপস্থিত আর আগে বের হওয়া — এক নজরে। হাতে হাজিরা: পুরো শাখা এক ক্লিকে উপস্থিত, তারপর যারা আসেনি তাদের বাদ। অনুপস্থিত আলাদা করে লিখতে হয় না — যে আসেনি সে-ই অনুপস্থিত। শ্রেণি, শাখা আর স্ট্যাটাস ধরে ফিল্টার; নাম বা রোল দিয়ে খোঁজা। কে হাজিরা নিতে পারবেন, তার আলাদা পারমিশন।

  • শিক্ষার্থীর হাজিরার হিস্ট্রি — নামে ক্লিক করলেই — Attendance History

    এ মাস আর গত মাস — দিন ধরে। আগের মাসগুলোর যোগফল, মাস ধরে। বছর ধরে মোট আর উপস্থিতির হার। ছুটির দিন নিজেই বাদ পড়ে — যেদিন শাখার কারও হাজিরা নেই।

  • অনুপস্থিত, লেট বা আগে গেলে অভিভাবককে এসএমএস — আপনি পাঠালে — Attendance SMS

    আজ অনুপস্থিত, টানা ২ দিন বা টানা ৩ দিন অনুপস্থিত — আলাদা তালিকা। আজ লেট আর আজ আগে বের হওয়াদের তালিকাও। তালিকা থেকে টিক দিয়ে সিলেক্ট। প্রতিটি তালিকার তৈরি মেসেজ; নিজের টেমপ্লেট বা নিজে লেখা। নিজে থেকে কোনো এসএমএস যায় না।

  • মেশিন থেকে হাজিরা — গেটে কার্ড ছোঁয়ালেই — Device Attendance

    মেশিন নিজেই সফটওয়্যারে পাঠায়; ইন্টারনেট না থাকলে জমিয়ে রেখে পরে। সময়সহ: কখন ঢুকল, কখন বের হলো। একাধিক মেশিন — ঢোকার গেট, বের হওয়ার গেট, বা এক মেশিনে দুটোই। মেশিন যোগ হয় সিরিয়াল নম্বরে; শেষ কখন যোগাযোগ হয়েছে, দেখায়। টেস্ট মোড: পাঞ্চ করে দেখুন কার নাম আসে — তখনকার পাঞ্চ হাজিরায় ধরা হয় না। হাতে হাজিরা আগের মতোই চলে; ভুল হলে হাতে ঠিক করা যায়। নতুন চালু — প্রথম মেশিন বসানোর দিন আমরা সাথে থেকে মিলিয়ে দিই।

  • কার্ড সেটআপ — কোন কার্ড কোন শিক্ষার্থীর — Card Setup

    কার্ড নম্বর লিখুন বা USB কার্ড রিডারে ছোঁয়ান; শিক্ষার্থী খুঁজে সিলেক্ট করে সেভ। শিক্ষার্থী খোঁজা নাম, রোল বা আইডি দিয়ে। এক শাখার সবার কার্ড নম্বর একসাথে বসানো। কার্ড অন্য কারও নামে থাকলে জানায়; বদলাতে আলাদা করে নিশ্চিত করতে হয়। সেভ করলে কার্ড নিজেই মেশিনে চলে যায়।

  • শ্রেণি ধরে সময়ের নিয়ম, টিফিনসহ — Attendance Rules

    ক্লাস শুরু, কত মিনিট পর লেট, ছুটির সময় — প্রতিটি শ্রেণির আলাদা হতে পারে। যে শ্রেণিগুলোর সময় এক, একসাথে সিলেক্ট করে বসানো। লেট আর “আগে বের” নিজেই হিসাব হয় — কত মিনিট, তা-ও। টিফিনে বের হয়ে ফিরলে “আগে বের” নয় — তালিকায় টিফিনের সময় দেখায়। টিফিনে বের হয়ে সময়মতো না ফিরলে তখন “আগে বের হয়েছে”।

এসএমএস ও যোগাযোগ (SMS & Communication)

৭টি ফিচার, ২৫টি সাব-ফিচার।

  • সবাইকে, বা শুধু যাদের বকেয়া আছে, বা শিক্ষকদের — Bulk SMS

    পুরো প্রতিষ্ঠান, এক শ্রেণি বা এক শাখা। শুধু যাদের বকেয়া আছে। শিক্ষক ও কর্মচারীদের। অভিভাবকের নম্বরে, বা শিক্ষার্থীর নিজের। তালিকায় টিক দিয়ে সিলেক্ট; যাদের নম্বর নেই, আলাদা দেখায়।

  • প্রত্যেকের এসএমএসে তার নাম, রোল, বকেয়া — Personalized SMS

    নাম, ডাকনাম, শ্রেণি, শাখা, রোল, আইডি, বকেয়া, তারিখ আর প্রতিষ্ঠানের নাম বসে। পাঠানোর আগে প্রথমজনের মেসেজের নমুনা দেখায়। মেসেজ সবার জন্য এক হলে ভাইবোনের একই নম্বরে একবারই যায়।

  • বকেয়ার এসএমএস নিজেই যায়, আপনার ঠিক করা দিনে — Auto Reminder

    মাসে সর্বোচ্চ ৪টি তারিখ। কত টাকার বেশি বকেয়া হলে যাবে, আপনি ঠিক করেন। অভিভাবকের নম্বরে, না শিক্ষার্থীর। মেসেজ নিজের মতো লিখুন — নাম আর বকেয়া বসে যায়। চালু বা বন্ধ, যখন খুশি।

  • নোটিশ এক ক্লিকে এসএমএসে — Notice SMS

    নোটিশের লেখা এক ক্লিকে এসএমএসের পেজে — আবার লিখতে হয় না। কাকে যাবে, তখনই সিলেক্ট করুন।

  • আলাদা এসএমএস অ্যাকাউন্ট লাগে না — Built-in SMS

    আলাদা এসএমএস কোম্পানির অ্যাকাউন্ট বা প্যাকেজ লাগে না। ব্যালান্স থেকে কাটে — যতগুলো পাঠান, শুধু ততগুলোর দাম। পাঠানোর আগে দেখায়: কতজন, কয়টি এসএমএস, মোট খরচ, পরে ব্যালান্স কত। যে এসএমএস যায়নি, তার টাকা ফেরত।

  • বারবার লাগে এমন মেসেজ টেমপ্লেটে সেভ — SMS Template

    বকেয়া, পরীক্ষা, ছুটি, অভিভাবক সমাবেশ — যেকোনো মেসেজ সেভ করুন। পরেরবার শুধু সিলেক্ট করুন। রেজাল্ট আর বকেয়ার এসএমএসের মেসেজও নিজের মতো।

  • কাকে কখন কী গেল — সব এসএমএসের হিসাব — SMS History

    প্রতিবার: কী পাঠানো হলো, কখন, কতজনকে, খরচ কত। কোনগুলো যায়নি, আলাদা তালিকায়। যা যায়নি, সিলেক্ট করে আবার পাঠানো।

অ্যাক্সেস ও নিরাপত্তা (Access & Security)

১০টি ফিচার, ৪২টি সাব-ফিচার।

  • সবার আলাদা লগইন, যার যতটুকু দরকার ততটুকু অ্যাক্সেস — Role & Permission

    রোল: অ্যাডমিন, অধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক, অপারেটর, শিক্ষক, হিসাবরক্ষক, কর্মচারী। কোন রোল কী করতে পারবে, টিক দিয়ে ঠিক করুন। যার অ্যাক্সেস নেই, তার মেনুতেই দেখায় না। শিক্ষক টাকা-পয়সার হিসাব দেখেন না। অ্যাডমিনের কাছে সব সময় সব থাকে।

  • কে কখন কী বদলালেন — সব লেখা থাকে — Activity Log

    কে, কখন, কোথা থেকে। নম্বর, রেজাল্ট, টাকা, শিক্ষার্থী আর স্টাফের বদলে — আগে কী ছিল, পরে কী হলো। ধরন, ব্যক্তি, তারিখ বা যেকোনো শব্দ দিয়ে খুঁজুন। লগ কেউ বদলাতে বা ডিলিট করতে পারেন না।

  • আদায়, বকেয়া, রেজাল্ট — এক নজরে চার্টে — Dashboard

    অ্যাক্টিভ শিক্ষার্থী, শিক্ষক-কর্মচারী, শ্রেণি ও শাখা, এ বছরের ভর্তি। এ মাসে আর এ বছরে আদায়; মোট বকেয়া, কতজনের। মাস ধরে আদায়ের চার্ট, শ্রেণি ধরে বকেয়া। শেষ প্রকাশিত পরীক্ষা — কোন গ্রেডে কতজন, কারা প্রথম। নতুন নোটিশ আর অ্যাকাউন্টের ব্যালান্স। টাকার অংশ দেখেন শুধু যাঁর অ্যাক্সেস আছে।

  • একাধিক ক্যাম্পাস — কোন শাখা কোথায় — Multi-campus

    সব ক্যাম্পাস এক অ্যাকাউন্টে। কোন শাখা কোন ক্যাম্পাসে, আপনি ঠিক করেন। প্লে থেকে কলেজ — সব স্তর একসাথে।

  • বাংলা বা ইংরেজি — মোবাইলেও পুরোটা — Bangla / English

    প্রত্যেকে নিজের ভাষায় — বাংলা বা ইংরেজি। সংখ্যা বাংলায় না ইংরেজিতে, তারিখ কীভাবে। ফন্ট আর লেখার আকার নিজের পছন্দে। মোবাইলের ব্রাউজারেই পুরোটা — কিছু ইনস্টল করতে হয় না।

  • সমস্যা হলে সফটওয়্যার থেকেই আমাদের লিখুন — Helpline

    পরামর্শ, অসুবিধা বা অভিযোগ — ধরন আর কতটা জরুরি, জানিয়ে লিখুন। উত্তর সফটওয়্যারেই আসে; কথা চলতে থাকে। উত্তর এলে নোটিফিকেশনে জানায়।

  • প্রতিষ্ঠানের নাম, লোগো, স্বাক্ষর — সব কাগজে নিজে থেকেই — Institution Profile

    নাম আর ঠিকানা বাংলা ও ইংরেজিতে, EIIN। লোগো আর প্রধানের স্বাক্ষর — মার্কশিট, রসিদ, কার্ড আর সার্টিফিকেটে বসে। এসএমএসে যে ছোট নাম যাবে। প্রিন্ট রঙিন না সাদাকালো; লোগো আর স্বাক্ষরসহ কি না।

  • সফটওয়্যারের বিল আর ব্যালান্স — এক পেজে — Account & Top-up

    ব্যালান্স, টপ-আপ আর প্রতিটি লেনদেন। বিকাশ বা নগদ দিয়ে টাকা পাঠিয়ে ট্রানজেকশন আইডি দিন — ব্যালান্সে যোগ হয়। মাসিক বিল ব্যালান্স থেকে নিজেই কাটে। বিল কাটা বা টাকা যোগ হলে নোটিফিকেশন।

  • আপনার তথ্য নিরাপদ — প্রতি রাতে ব্যাকআপ — Backup & Safety

    প্রতি রাতে সার্ভারে পুরো ব্যাকআপ। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের তথ্য আলাদা — অন্য কেউ দেখে না। ভুল পাসওয়ার্ডে বারবার চেষ্টা করলে লগইন কিছুক্ষণ আটকে থাকে। টেম্পোরারি পাসওয়ার্ড প্রথম লগইনেই বদলাতে হয়। একই জমা বা এসএমএস দুবার হয় না।

  • ধরন সিলেক্ট করলেই সব তৈরি — সেদিনই কাজ শুরু — Quick Start

    রেজিস্ট্রেশন নিজেই করুন — কাউকে ডাকতে হয় না। ধরন সিলেক্ট করলেই শ্রেণি, বিষয়, পরীক্ষা আর গ্রেড তৈরি। একাধিক ধরন একসাথে — যেমন কিন্ডারগার্টেন + স্কুল। লগইন ছাড়াই ডেমো চালিয়ে দেখা যায়।

যা আসছে

এগুলো এখনো নেই — বানানো হচ্ছে, বা পরে হবে। আছে বলে আমরা শুধু তা-ই লিখি, যা আজ সফটওয়্যারে চলছে।

  • শীঘ্রই: লাইব্রেরি, আবাসিক শিক্ষার্থী (হোস্টেল), শিক্ষক-কর্মচারীর হাজিরা — আঙুলের ছাপে, প্রশ্নপত্র তৈরি, ছাপানো RFID কার্ড, ফিতা ও কভারের অর্ডার
  • ভবিষ্যতে: বিকাশ, নগদ, রকেট বা কার্ডে অনলাইনে ফি, ছুটির ক্যালেন্ডার, অভিভাবক পোর্টাল

প্রশ্নোত্তর

সব ধরনের ফি নেওয়া যায়?

যায়। ভর্তি ফি, ফর্ম ফি, মাসিক বেতন, পরীক্ষার ফি, সেশন চার্জ — আর নিজের দেওয়া নামে যেকোনো ফি, এক শ্রেণির জন্য বা সবার, একবার বা প্রতি মাসে। মাসের বিল নিজেই তৈরি হয়; আংশিক বা অগ্রিম জমা, ছাড়, মওকুফ, লেট ফি, প্রতিটি জমার রসিদ আর কার কত বকেয়া — সব আছে।

ডিজিটাল বা অটোমেটেড হাজিরা নেওয়া যায়?

যায়, দুইভাবেই। ডিজিটাল: মোবাইল বা কম্পিউটারে পুরো শাখা এক ক্লিকে উপস্থিত, তারপর যারা আসেনি তাদের বাদ; লেট আর আগে বের হওয়াও থাকে, নামে ক্লিক করলে মাস আর বছরের হিসাব। অটোমেটেড: শিক্ষার্থী গেটে RFID কার্ড ছোঁয়ালে মেশিন নিজেই হাজিরা পাঠায় — এটি নতুন চালু হয়েছে, প্রথম মেশিন বসানোর দিন আমরা সাথে থেকে মিলিয়ে দিই। অনুপস্থিতের অভিভাবককে এসএমএস যায় আপনি পাঠালে।

শিক্ষকদের মনিটরিং করা যায়?

যায়। প্রতিদিন কোন শিক্ষক রুটিনের কয়টি ক্লাস নিলেন, কী পড়ালেন, কী বাড়ির কাজ দিলেন — এক পাতায়, প্রধানের মন্তব্যসহ; মাস শেষে প্রত্যেক শিক্ষকের রিপোর্ট। কোন বিষয়ের নম্বর দেওয়া এখনো বাকি, কার কত ছুটি — তা-ও দেখা যায়।

কত ধরনের রিপোর্ট আর প্রিন্ট পাওয়া যায়?

৩১ ধরনের। প্রিন্ট বা PDF হয় ১৪ ধরনের কাগজ — মার্কশিট, এডমিট কার্ড, আইডি কার্ড, টিসি, প্রত্যয়নপত্র, প্রশংসাপত্র, মানি রসিদ, স্যালারি স্লিপ, ভাউচার, নোটিশ, রুটিন। আর ১৭ ধরনের রিপোর্ট ও তালিকা — বকেয়া, আয়-ব্যয়, রসিদ, হাজিরা, শিক্ষকের রোজকার ও মাসিক রিপোর্ট, এসএমএসের হিসাব। শিক্ষার্থীর তালিকা, রসিদের তালিকা আর শিক্ষকের মাসিক রিপোর্ট Excel-এও নামে। প্রতিটির নাম আর কয়েকটির নমুনা এই পেজেই আছে।

আজই আপনার প্রতিষ্ঠান চালু করুন

কয়েক মিনিটেই রেজিস্ট্রেশন, আজই কাজ শুরু। আগে দেখতে চাইলে বা কিছু জানার থাকলে কল করুন বা লিখুন — আমরা দেখিয়ে দেব।