মূল অংশে যান
English

রেজাল্ট ও মার্কশিট সফটওয়্যার — নম্বর দিন — জিপিএ, মেধাস্থান আর মার্কশিট তৈরি

রেজাল্ট শিট বানাতে আর রাত জাগতে হবে না। শিক্ষকেরা নিজের বিষয়ের নম্বর দেন — মোবাইল থেকেই; গ্রেড, জিপিএ, পাস-ফেল আর মেধাস্থানের হিসাব সফটওয়্যারের, বোর্ডের নিয়মে।

নম্বর থেকে মার্কশিট — চার ধাপে

  1. ১

    নম্বরের ছক

    প্রতিটি বিষয়ের নম্বর কীভাবে ভাগ হবে — লিখিত ১০০, বা সৃজনশীল ৭০ + বহুনির্বাচনী ৩০, বা সাথে ব্যবহারিক। পূর্ণমান আর পাস নম্বর আপনার।

  2. ২

    শিক্ষকেরা নম্বর দেন

    প্রত্যেকে শুধু নিজের বিষয়ের, ফোন থেকেই; দেওয়ার সাথে সাথে গ্রেড দেখায়। কোন বিষয়ের নম্বর বাকি, এক পাতায় দেখা যায়।

  3. ৩

    ফলাফল তৈরি

    এক ক্লিকে পুরো শ্রেণির জিপিএ, পাস-ফেল আর মেধাস্থান — আগে খসড়া, দেখে নিয়ে প্রকাশ।

  4. ৪

    মার্কশিট ও এসএমএস

    পুরো শাখার মার্কশিট একসাথে প্রিন্ট বা PDF; ফলাফল এক ক্লিকে অভিভাবকের ফোনে।

যে নিয়মে গ্রেড হয়

শুরুতে বাংলাদেশের জিপিএ-৫ স্কেল দেওয়া থাকে। বিষয়ের পূর্ণমান যা-ই হোক, গ্রেড হয় শতকরা হিসাবে:

১০০ নম্বরে ৫০ নম্বরে গ্রেড পয়েন্ট
৮০–১০০ ৪০–৫০ A+ ৫.০০
৭০–৭৯ ৩৫–৩৯ A ৪.০০
৬০–৬৯ ৩০–৩৪ A- ৩.৫০
৫০–৫৯ ২৫–২৯ B ৩.০০
৪০–৪৯ ২০–২৪ C ২.০০
৩৩–৩৯ ১৭–১৯ D ১.০০
০–৩২ ০–১৬ F ০.০০
  • প্রতিটি অংশে আলাদা পাস: সৃজনশীল, বহুনির্বাচনী বা ব্যবহারিকের কোনো একটিতে পাস নম্বর না পেলে পুরো বিষয়ে F
  • ১ম ও ২য় পত্রের নম্বর যোগ করে এক গ্রেড; পাসও দেখা হয় দুই পত্র মিলিয়ে
  • জিপিএ = আবশ্যিক বিষয়গুলোর পয়েন্টের গড়; একটিতেও F হলে জিপিএ ০.০০
  • ৪র্থ বিষয়: ২-এর ওপরের পয়েন্ট যোগ হয়, ভাগ হয় শুধু আবশ্যিক বিষয়ের সংখ্যা দিয়ে; জিপিএ ৫-এর বেশি হয় না
  • নম্বর না দিলে সেই বিষয়ে অনুপস্থিত ধরা হয়
  • মেধাস্থান: পাস করা শিক্ষার্থীরা আগে, তারপর মোট নম্বর; সমান নম্বরে একই স্থান — শাখায় বা পুরো শ্রেণিতে

স্কুলের নিয়ম আলাদা হলে গ্রেড, সীমা আর পয়েন্ট বদলে নিন। নিয়ম পরে বদলালেও আগের পরীক্ষার নম্বর যেমন ছিল তেমনই থাকে।

এসএসসির জিপিএ কীভাবে হিসাব হয় ৪র্থ বিষয়ের নিয়ম

মার্কশিটে যা থাকে

  • প্রতিষ্ঠানের নাম, ঠিকানা, EIIN আর লোগো
  • প্রতিটি বিষয়ের নম্বর, গ্রেড আর পয়েন্ট; মোট নম্বর, জিপিএ আর মেধাস্থান
  • প্রধান শিক্ষক বা অধ্যক্ষের স্বাক্ষর; রঙিন বা সাদাকালো প্রিন্ট
  • প্রকাশের আগে প্রিন্ট করলে ‘DRAFT’ জলছাপ
  • শিক্ষার্থীর সব বছরের সব পরীক্ষার ফল এক পাতায় — একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট

মার্কশিট ছাপা হয় ইংরেজিতে, বোর্ডের মার্কশিটের মতো।

প্রশ্নোত্তর

শিক্ষক কি অন্য বিষয়ের নম্বর বদলাতে পারেন?

না। শিক্ষক শুধু তাঁকে দেওয়া বিষয়গুলোর নম্বর দেন; কে কখন কোন নম্বর বদলালেন, আগে-পরে সহ অ্যাক্টিভিটি লগে থাকে। ফল প্রকাশের পর সেই শ্রেণির নম্বর লক হয়ে যায়।

ফল প্রকাশের পর ভুল ধরা পড়লে?

প্রকাশ তুলে নিন, নম্বর ঠিক করুন, তারপর ফলাফল আবার তৈরি করে প্রকাশ করুন।

ক্লাস টেস্ট বা মাসিক পরীক্ষার ফলাফলও হয়?

হয়। যেকোনো পরীক্ষা নিজের দেওয়া নামে তৈরি করুন — প্রতিটির আলাদা ফলাফল, মেধাস্থান আর মার্কশিট।

মাদ্রাসা বা কোচিংয়ের ফলাফলও কি একই নিয়মে?

শুরুতে সবার জন্য জিপিএ-৫। মাদ্রাসায় আরবির ১ম-২য় পত্রও মিলিয়ে গ্রেড হয়; কোচিং বা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান চাইলে নিজের গ্রেড বসাতে পারে।

আজই আপনার প্রতিষ্ঠান চালু করুন

কয়েক মিনিটেই রেজিস্ট্রেশন, আজই কাজ শুরু। আগে দেখে নিতে চাইলে বা কিছু জানার থাকলে কল করুন বা লিখুন — আমরা দেখিয়ে দেব।