মূল অংশে যান
English

আইডি কার্ড ও সার্টিফিকেট — আইডি কার্ড, এডমিট কার্ড, সার্টিফিকেট — সিলেক্ট করুন, প্রিন্ট দিন

নাম, শ্রেণি, রোল, বাবা-মায়ের নাম — সব তো ভর্তির সময়ই লেখা হয়েছে। তাই কার্ড বা সার্টিফিকেটের জন্য আর কিছু টাইপ করতে হয় না। শাখা সিলেক্ট করুন — পুরো শাখার কার্ড একসাথে তৈরি।

সাত রকম কার্ড

  • শিক্ষার্থীর আইডি কার্ড

    ছবি, নাম, শ্রেণি, রোল, আইডি, রক্তের গ্রুপ আর অভিভাবকের মোবাইল।

  • শিক্ষক-কর্মচারীর আইডি কার্ড

    ছবি, নাম, পদবি, আইডি, ফোন আর রক্তের গ্রুপ।

  • অভিভাবক / পিক-আপ কার্ড

    বাচ্চা নিতে আসা অভিভাবকের জন্য — শিক্ষার্থীর নাম, বাবা-মায়ের নাম আর ফোন।

  • লাইব্রেরি কার্ড

    কার্ড নম্বর, নাম, শ্রেণি আর রোল।

  • বাস পাস

    নাম, শ্রেণি, রোল; রুট আর স্টপ লেখার ঘর।

  • হোস্টেল কার্ড

    নাম, শ্রেণি, রোল; রুম-সিট লেখার ঘর আর অভিভাবকের ফোন।

  • ভিজিটর পাস

    নম্বর দেওয়া পাস — নাম, কার কাছে আর সময় লেখার ঘর।

  • A4 কাগজে এক পাতায় ১০টি — কেটে ল্যামিনেট করুন; অথবা PVC কার্ড প্রিন্টারে একটি করে
  • চাইলে কার্ডের পেছনের দিকও ছাপা হয়
  • ছবি যোগ করেন প্রিন্টের সময় — ছবি আপনার কম্পিউটারেই থাকে, আমাদের সার্ভারে যায় না
  • আইডি কার্ডের জন্য আলাদা কোনো টাকা লাগে না

এডমিট কার্ড — বকেয়া দেখে

পরীক্ষা আর শাখা সিলেক্ট করুন — পুরো শাখার এডমিট কার্ড একসাথে, এক A4 পাতায় দুটি। বাংলায় বা ইংরেজিতে।

  • সেটিং-এ ঠিক করুন, সর্বোচ্চ কত টাকা বকেয়া থাকলেও এডমিট কার্ড পাবে
  • এর বেশি বকেয়া থাকলে সেই শিক্ষার্থীর কার্ড ছাপা হয় না; তালিকায় আলাদা দেখায়
  • বকেয়া জমা দিলেই কার্ড পাওয়া যায়
  • কোনো সীমা না দিলে সবাই পায়

চার রকম সনদ

  • প্রত্যয়নপত্র

    শিক্ষার্থী এই প্রতিষ্ঠানে পড়ে — তার প্রমাণ।

  • ছাড়পত্র (টিসি)

    অন্য প্রতিষ্ঠানে যাওয়ার সময়।

  • প্রশংসাপত্র

    পড়া শেষে, আচরণের কথাসহ।

  • মেধা সনদ

    প্রকাশিত রেজাল্ট থেকে — প্রথম কয়জন পাবে, আপনি ঠিক করেন।

  • প্রতিটি সনদের আলাদা নম্বর — যেমন TC-2026-0001
  • কোন সনদের ফি কত, সেটিং থেকে আপনি ঠিক করেন
  • ফি জমা হলে তবেই প্রিন্ট — সাথে রসিদ
  • কাকে কবে কোন সনদ দেওয়া হলো, রেজিস্টারে থাকে
  • বাংলায় বা ইংরেজিতে

প্রশ্নোত্তর

আইডি কার্ডের জন্য আলাদা টাকা লাগে?

না। যত খুশি কার্ড বানান — সফটওয়্যারের মাসিক বিলের বাইরে কোনো খরচ নেই। কাগজ, প্রিন্ট আর ল্যামিনেটের খরচ আপনার।

শিক্ষার্থীর ছবি কোথায় থাকে?

আপনার কম্পিউটারেই। কার্ড প্রিন্টের সময় ছবি যোগ করেন; সেটা আমাদের সার্ভারে যায় না, জমাও থাকে না।

বকেয়া থাকলে এডমিট কার্ড বন্ধ রাখা যায়?

যায়। সেটিং-এ একটা সীমা দিন — যেমন ৫০০ টাকা। এর বেশি বকেয়া থাকলে সেই শিক্ষার্থীর এডমিট কার্ড ছাপা হবে না।

টিসি বা প্রত্যয়নপত্রের ফি নেওয়া যায়?

যায়। কোন সনদের ফি কত, সেটিং-এ ঠিক করুন। সনদ দেওয়ার সময় ফি জমা হয়, রসিদ আসে, তারপর সনদ প্রিন্ট হয়। ফি শূন্য রাখলে টাকা ছাড়াই।

আজই আপনার প্রতিষ্ঠান চালু করুন

কয়েক মিনিটেই রেজিস্ট্রেশন, আজই কাজ শুরু। আগে দেখতে চাইলে বা কিছু জানার থাকলে কল করুন বা লিখুন — আমরা দেখিয়ে দেব।